আজিজুল ইসলামের কবিতা “যুবতী মেয়ে”

 

মো.আজিজুল ইসলাম ঃঃ

দিনে দিনে বয়স আমার হয়ে গেল কত
বিয়ের আশায় আছি বসে পাগলেরই মত
দেখতে শুনতে দারুণ আমি হয়না তবু বিয়া
কোনো যুবক কইলোনারে যাবে তোরে নিয়া।

পড়ালেখা ভাল্লাগেনা যাব শশুর বাড়ি
আমার আশায় জামাই ব্যাটার পেকে গেছে দাড়ি।
একলা ঘরে ঘুম আসেনা কেমনে বলো থাকি
তোমরা আমায় কওনা সখি বিয়ের ক’দিন বাকি

আলতা মাখি মেকাপ রাখি ওষ্ঠ রাঙাই লালে
তবু সখা আসলো নারে কাল বোশেখীর কালে।
আড্ডা ধরি গল্প করি মন বসে না ঘরে
আঁধার রাতে বন্ধু ছাড়া থাকি কেমন করে।

বাবা বলে দিব বিয়া বছর দুয়েক পরে
আম্মু বলে কিসের বিয়ে থাকনা কদিন ঘরে।
দাদা বলে অনেক পরে নিজের পায়ে দাঁড়া
দাদি বলে দিব বিয়ে কিসের এত তাড়া।

প্রাণের সখা আয়না কাছে ডাকনা কেহ কাজি
ফাগুন মাসে আগুন দিব থাকলে তুমি রাজি।
ঘটক দাদা পায়না ছেলে বলছে সেদিন কানে
কেমন করে পাইবে ছেলে আব্বু যদি জানে!

রাগের মাথায় ভাবি আমি দাওনা খালি বিয়া
ঝালের মজা বুঝবে সেদিন সুদ আর আসল নিয়া।
জোয়ান মাইয়া ঘরে রাইখা বানাও তারে বুড়ি
কত্ত আগে হইছে আমার বয়স উনিশ কুড়ি।