কুষ্টিয়ায় মর্গে পাঠানোর পর নড়ে উঠল শিশু : হাসপাতাল ভাংচুর

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা ঃঃ
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পানিতে ডোবা শিশুকে মৃত ঘোষণা করে মর্গে পাঠানোর পর নড়ে উঠা নিয়ে হট্টগোল,ইমারজেন্সী তে ভাংচুর চালিয়েছে ওই শিশুর স্বজনরা । ১৯ মার্চ দুপুরে কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকায় হামিম নামের ৮ বছরের শিশু খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ময়না তদন্তের জন্য শিশুটিকে মর্গে পাঠালে সেখানে শিশুটি নড়েচড়ে উঠেছে বলে এবং ওই শিশু জীবিত আছে বলে স্বজনরা হৈচৈ শুরু করে। পরে পূনরায় শিশুটিকে হাসপাতালের ইমারজেন্সী তে ইসিজি করার জন্য নিয়ে আসা হয়। সেখানে ইসিজি করাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে হট্টগোল শুরু করে রোগীর স্বজনসহ উপস্থিত লোকজন। এক পর্যায়ে তারা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়ায় জেনারেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করতে থাকতে। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ডাক্তাররা পূণরায় শিশুটির ইসিজি করায় এবং তাকে মৃত যোষণা করে।

এবিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার বলেন, আমি নিজে শিশুটিকে পরিক্ষা করে দেখে মৃত ঘোষণা করে লাশ মর্গে পাঠায়।সেখানে শিশুটির পেটে চাপ দিলে পানি বের হওয়ার শিশুটির স্বজনরা মনে করেন তার বাচ্চা জীবিত আছে। পরে শিশুটিকে ইমারজেন্সী তে নিয়ে আসলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এখন সবকিছু স্বাভাবিক আছে। আমরা শিশুটির ইসিজি করেছি এবং লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত হামিম (৮) কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকার হারুনের ছেলে।