ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য

 

মো.আলতাফ হোসেন ঃঃ
জীববৈচিত্র্য পৃথিবীতে প্রাণের এবং মানব উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহসহ প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় প্রধান অবদান রাখে। কিন্তু নির্বিচারে বন ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, মনুষ্যসৃষ্ট দাবানল, উপর্যুপরি একের পর ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত,পঙ্গপালের ধ্বংসাত্মক আক্রমণ এবং বিশ্বব্যাপী নির্বিচারে প্রাণের বাসস্থান ধ্বংসের ফলে ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য।

প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নÑউভয় ক্ষেত্রেই বন ও বনাঞ্চলের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং জাতীয় উদ্যানগুলো প্রিয় পর্যটন স্থান। বিশ^ব্যাপী নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস করার কারণে বন ও বন্যপ্রাণী হুমকির মুখে পড়েছে। এ কারণে আজকের পৃথিবীর পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির সম্মুখিন।

দেশের অন্যতম বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সিলেট বিভাগের বাহুবল,নবীগঞ্জ,চুনারুঘাট,মাধবপুর,হবিগঞ্জ সদর, শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার সদর, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, ছাতক, দোয়ারাবাজার, ধর্মপাশা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, সুনামগঞ্জ সদর, সিলেট সদর, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট উপজেলায় বন বিভাগের বেশির ভাগ জমিই দখল করে নিয়েছে দখলদাররা। দখল করে নেয়া এসব জমির গাছপালা নিধন, শ্রেণি পরিবর্তনসহ কোথাও কোথাও মাটি কেটে বা ভরাট করে ভূমিরূপ পরিবর্তন করে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

জাতিসংঘের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, প্রতিটি রাষ্ট্রে মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকতে হবে। উদ্বেগের বিষয়, বাংলাদেশে বনভূমি উজাড় হতে হতে এখন ১৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। প্রকৃত বনভূমির পরিমাণ এর চেয়ে কম। অভিযোগ রয়েছে, এমন অবস্থাতেও দেশে বনভূমি জবরদখল ও গাছপালা কেটে উজাড় করার প্রক্রিয়া চলছে নিরন্তরভাবে,বছরের পর বছর।

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সিলেট বন বিভাগের বৃক্ষ নিধন ও জায়গা দখল। বন বিভাগের তথ্য মতে, পাঁচ দশকে সেখানে ৫৬ হাজার একরেরও বেশি বনভূমি বেদখল হয়ে গেছে। দু’টি পাতা একটি কুড়ি আর পাহাড় প্রকৃতির কন্যা হিসেবে বিশ্বে পরিচিত সিলেট। সেখানকার নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছর হাজারও দেশি-বিদেশি পর্যটকের সমাগম ঘটে। কয়েক দশকে প্রভাবশালীরা বনভূমি দখল আর গাছ কেটে উজাড় করায় ধ্বংসের মুখে বনভূমি। ফলে সিলেট হারাচ্ছে প্রকৃতির সৌন্দর্য।

বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা- রাতারগুল বা রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন এবং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। এটি সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত। চিরসবুজ এই বন বর্ষাকালে ২০ থেকে ৩০ ফুট পানির নিচে নিমজ্জিত থাকলেও, বাকি সারা বছর পানির উচ্চতা থাকে ১০ ফুটের মতো। দিন যতো যাচ্ছে ক্রমাগত কমছে বনভূমি। বড় বড় স্থাপনা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কিংবা দখল করে বনের জায়গা লিজ দিয়ে কামানো হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সিলেট বিভাগজুড়েও বনের জায়গা বেপরোয়াভাবে দখল চললেও উদ্ধারে নেই কোনো অগ্রগতি। প্রতিবছর বনভূমির দখল বাড়লেও কেবল দখলদারের তালিকা আর উদ্ধার পরিকল্পনাতেই যাচ্ছে সময়।

সিলেট বিভাগে মোট বনাঞ্চল এক লাখ ৬০ হাজার আটশ ১৯ একর। স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত মাত্র ৯৯২ একর জায়গা উদ্ধার করতে পেরেছে বন বিভাগ। ৬০ শতাংশ বনভূমি ইতোমধ্যে বেদখল হয়ে গেছে। অধিকাংশ জায়গাতেই এখন আর বনভূমির চিহ্ন নেই। এগুলো মানুষ দখল করেছে।পরিবেশবিদরা বলছেন, বনের জায়গা দখল হওয়াতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বিরল প্রজাতির প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সংরক্ষিত ও বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষিত এ বনটিতেও ঠেকানো যায়নি দখলদারদের উৎপাত। বনভূমি উজাড় হওয়ার পেছনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদাসীনতা ও সুশাসনের অভাবকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে দখলদারের সংখ্যার দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সিলেট জেলা রয়েছে এগিয়ে। এই অভয়ারণ্যের বেদখল হওয়া বনভূমি অবৈধ দখলের মোট দখলদার ৪ হাজার ৮শ ৪ জন। আর সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা হবিগঞ্জ জেলায় দখলদার মাত্র ৬২ জন। অপরদিকে সুনামগঞ্জে ৩ হাজার ২শ ১৩ জন ও মৌলভীবাজার জেলায় ২ হাজার ৫শ ২৭ জন অবৈধ দখলদারের তালিকা করা হয়েছে। সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারে বনভূমি দখল করে বসতবাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছে।
বন বিভাগের তথ্যমতে, সিলেট বিভাগজুড়ে দখলদারদের কবলে থাকা মোট বনভূমির পরিমাণ ছিলো ৬৪ হাজার ৮শ ৯৬.৯৪ একর। কিন্তু দীর্ঘ এত বছরে ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে মাত্র ৮ হাজার ৪শ ২০.৬০ একর। গত নভেম্বর মাসের ১০ তারিখ সারা দেশের ন্যায় সিলেটের বন সংরক্ষক স্বাক্ষরিত বনের দখলদারদের একটি তালিকা প্রস্তুত করে প্রধান বন সংরক্ষক বরাবর প্রেরণ করা হয়। এ তালিকায় সিলেট বিভাগে বনের জায়গার অবৈধ দখলদার হিসেবে মোট ১০ হাজার ৬শ ৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আর এসব দখলদারের কবলে আছে বিভাগের চার জেলা মিলে (সংরক্ষিত বনভূমি ও অন্যান্য ভূমি) মোট ৫৬ হাজার ৪শ ৬৯ দশমিক ১৪ একর জায়গা। কিন্তু তালিকা প্রেরণের প্রায় ৪ মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে মাত্র ৫০ একর জায়গা। সে হিসেবে তালিকায় থাকলেও বাস্তবে এসব জায়গা উদ্ধার হবে না কি পরিকল্পনাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

সিলেটে এমন ঘটনা চলছে অহরহই।এখানে বনের জমি দখল চলছে দেদারছে। লক্ষ্মীনগরে দখল ঠেকাতে বনকর্মীরা বাধা দিলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রতিরোধ ছাড়াই জমি দখল করে নেয় প্রভাবশালীরা। সিলেটে বনের জমির এক তৃতীয়াংশই বেদখলে রয়েছে। তবে বেদখল হওয়া জমির পরিমাণ আরও বেশি। প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় ভৌগলিক অবস্থানের এক-চতুর্থাংশ বন থাকা আবশ্যক বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করলেও বনবিভাগের হিসেবে, সিলেটে বনের পরিমাণ মোট ভূমির ৯ থেকে ১০ শতাংশের উপরে নয়। বনের ভূমি জবরদখল হয়ে যাওয়া এখানকার অন্যতম প্রধান সমস্যা। দখলীয় ভূমির প্রায় ৩০ হাজার একরের উপর আদালতে মামলা রয়েছে। কোনো মামলা দীর্ঘ ২০-২২ বছর ধরে চলছে।

কাগজে কলমে সিলেটে বন বিভাগের মোট জমির পরিমাণ ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭১৪ একর। এরমধ্যে প্রায় ৫৮ হাজার একরই বেদখল হয়ে আছে। বনের জমি সবচেয়ে বেশি বেদখল হয়েছে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায়। এ উপজেলার ২০ হাজার ১৭৪ একর জমি বেদখলে রয়েছে। সিলেটে সংরক্ষিত বনাঞ্চল (২০ ধারা) রয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৯৪৩.৫ একর। আর প্রস্তাবিত বনভূমি (৪ধারা) রয়েছে ৪২ হাজার ৭৭০.৭৬ একর। বারবার উদ্ধারের পরও বেদখল হয়ে পড়ে বনাঞ্চলের জমি।সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নিয়াগুল হাওড় এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমির লক্ষ্মীনগর বিটের ৭৫ হেক্টর জমি নিয়েও একই বিড়ম্বনা পোহাতে হয়েছে বন বিভাগের স্থানীয় দপ্তরকে। বন বিভাগের হিসাব মতে,সিলেটে বনাঞ্চলের জমির এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি এখন বেদখলে। যদিও বেদখল জমির পরিমাণ প্রকৃতপক্ষে আরো অনেক বেশি বলে জানা গেছে। তদারকির অভাবে বা গায়ের জোরে এসব জমি আবার দখল করে নেয় দুষ্কৃতকারীরা। এভাবে দখলদারদের কবলে পড়ে প্রতিনিয়তই শ্রী হারাচ্ছে সিলেটের বনাঞ্চল।দখলদারদের হাত থেকে জমি রক্ষা করাটাই এখানে বন বিভাগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কোনো এলাকা যেখানে বন্যপ্রাণী ধরা, মারা, গুলি ছোড়া অথবা ফাঁদ পাতা নিষিদ্ধ এবং মুখ্যত বন্যপ্রাণীর নিরাপদ বংশ বিস্তারের লক্ষে সকল প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন-উদ্ভিদ, মাটি, পানি ইত্যাদি সংরক্ষণের নিমিত্তে ব্যবস্থাপনা করা হয় সাধারণত বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ পরিবেশ,তাদের স্বাভাবিক কিংবা বর্ধিত প্রজনন পরিবেশ, বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক সংখ্যা এবং বৃক্ষরাজি কিংবা ঔষধি বৃক্ষরাজির নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকার কিংবা নির্বাহী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বনাঞ্চলকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়। সিলেটের রাতারগুল মনোরম এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত তুলনামূলকভাবে বৃহত্তর এলাকা যার মুখ্য উদ্দেশ্য জনসাধারণকে শিক্ষা,গবেষণা ও বিনোদনের অনুমতি প্রদান এবং উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সুন্দর নয়নাভিরাম দৃশ্য সংরক্ষণ করার এক জাতীয় উদ্যান। চা বাগান, জাফলং, রাতারগুল জলাবন, হাকালুকি হাওর, লালাখাল, ভোলাগঞ্জ, বিছনাকান্দি, তামাবিল, পাহাড়, ঝর্ণা সব মিলিয়ে নানা বৈচিত্র্যের সম্ভার এই সিলেট দেশের অন্যতম পর্যটন নগরী। অভয়ারণ্য ঘোষণা করার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় ঐ এলাকার বন্যপ্রাণী যেনো ধ্বংস না হয়। অর্থাৎ যে জঙ্গলে প্রাণীদের নির্ভয় বিচরণ নিশ্চিত করা হয় তাকে অভয়ারণ্য বলা হয়। বাংলাদেশ সর্বমোট ২০-টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে। পশুপাখিদের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজ থেকে যেনো এই বনাঞ্চল মুক্ত থাকে। পাশাপাশি, বাইরে থেকে শিকারিরা যাতে এই নিরাপত্তা বলয়ে প্রবেশ না করতে পারে সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও বাদেয়ালী গ্রামে অবাধে সরকারি গাছ কেটে ফেলছে স্থানীয়রা। শুধু গাছ কেটেই ক্ষান্ত হয়নি তারা উল্টো এসব গাছ টাকার বিনিময়ে বিক্রির অভিযোগও পাওয়া গেছে। বন বিভাগের তদারকি না বাড়ালে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। ভূমি উদ্ধারের ব্যবস্থা না নিলে দেশ বড় ধরনের প্রকৃতিক বিপর্যয়ে পড়বে বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা।

পরিবেশের ভারসাম্য ও সুস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রকৃতিতে বিদ্যমান প্রতিটি প্রজাতির প্রাণী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও বিভিন্ন প্রজাতির বিপন্ন ব্যাঙ ও শামুকের বিলুপ্তি ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের এমন বিশ্বব্যাপী বিস্তারে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। এছাড়া জীববৈচিত্র্য ও তাদের বাসস্থান ধ্বংসের কারণে সংক্রামক রোগ ও ভাইরাস খুব সহজেই বিস্তার লাভ করতে পারছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অণুজীবের বাসস্থান ব্যাপকভাবে ধ্বংসের কারণে একের পর এক ধ্বংসাত্মক ভাইরাসের জন্ম হচ্ছে, যার মধ্যে কভিড-১৯ সবচেয়ে ধ্বংসাত্মকরূপে আবির্ভূত হয়েছে।

জীববৈচিত্র্য রক্ষা,প্রকৃতির সুরক্ষা নিশ্চিত করা,জীববৈচিত্র্য ধ্বংসরোধে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করাসহ প্রাণ ও প্রকৃতি তথা জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় বিভিন্ন রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং তার বাস্তবায়নে নাগরিকদের সোচ্চার হতে হবে।সর্বোপরি পৃথিবীতে মানবজাতিকে টিকে থাকতে হলে প্রকৃতিপ্রদত্ত বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্যকে সুরক্ষা করেই বাঁচতে শিখতে হবে।

সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বনের জমি দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলা ও কর্মকান্ড পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বনভূমি উদ্ধারের জন্য এরই মধ্যে দখলকারীদের নামের তালিকা প্রস্তত করেছে সরকার। দখলদার ও জড়িত অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নামের তালিকা চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে দখলকৃত বনভূমি পুনরুদ্ধারে সরকারের সব উদ্যোগ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হবে এমনটাই সকলের প্রত্যাশা।

লেখকঃ গবেষক,সাবেক জাতীয় ক্রীড়াবিদ,
চেয়ারম্যান গ্রীণ ক্লাব, মানিকগঞ্জ,সাংবাদিক ও কলামিস্ট