ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়

মো. আলতাফ হোসেন ঃঃ
প্রচলিত আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত বয়সের চেয়ে কম বয়সে কাজে নিয়োজিত সকল শ্রমিকই শিশু শ্রমিক। বিভিন্ন দেশে আর্থসামাজিক অবস্থার ভিন্নতা, সাংস্কৃতিক ও মূল্যবোধের ভিন্নতা, প্রকৃতি ও পরিবেশের ভিন্নতার কারনে দেশে দেশে শিশুর বয়স নির্ধারনে কিছুটা পার্থক্য আছে। প্রচলিত আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত বয়সের চেয়ে কম বয়সে কাজে নিয়োজিত সকল শ্রমিকই শিশু শ্রমিক। বিশেষজ্ঞদের ঐক্যমত্য অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক সকল ক্ষেত্রে শিশুর জন্য শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক দিক থেকে ক্ষতিকর এবং শিশুর প্রয়োজন ও অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন বঞ্চনামূলক শ্রমই শিশু শ্রম।

বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী যাদের বয়স ১৪ বছর পূর্ণ হয়নি তাদেরকে শিশু বলা হয়। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ ১৯৮৯ অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে সব মানব সন্তানকে শিশু বলা হবে, যদিনা শিশুর জন্য প্রযোজ্য আইনের আওতায় ১৮ বছরের আগেও শিশুকে সাবালক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আইএলও কনভেনশন ১৩৮ অনুযায়ী ১৫ বছরের নিচে মানব সন্তানকে শিশু বলা হবে কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ১৮ বছরের নিচের বয়সের মানব সন্তানকে শিশু বলা হবে।আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও’র পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশে^ প্রায় ১৬ কোটি ৮০ লাখ শিশু নানা ভাবে শ্রম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এদের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি শিশু নানারকম ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী অতিরিক্ত ৯০ লাখ শিশু ঝুঁকির মুখে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা(আইএলও)ও ইউনিসেফ। নতুন এক প্রতিবেদনে সংস্থা দুটি বলছে বিশ্বব্যাপী শিশুশ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা বেড়ে ১৬ কেটিতে পৌঁছেছে। গত ৪ বছরে বেড়েছে ৮৪ লাখ। মহামারির প্রভাবের কারণে আরো লাখ লাখ শিশু ঝুঁকিতে রয়েছে।প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে,মহামারির কারণে ২০২২ সাল সমাপ্ত হওয়ার আগেই বিশ্বব্যাপী অতিরিক্ত ৯০ লাখ শিশুশ্রমে নিযুক্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

জাতীয় শিশু শ্রম জরিপ ২০১৩ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় ৩৪ লাখ ৫০ হাজার শিশু কোনো না কোনো শ্রমে নিয়োজিত। এর মধ্যে ১২ লাখ ৮০ হাজার শিশুই বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত। শিশুশ্রম নিরসনে বাংলাদেশ সরকার ৩৮টি ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম নির্ধারণ করে ২০২৫ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধের অঙ্গীকার করেছে। যদিও সরকার ২০১৬ সালের মধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছিলো। কিন্তু আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে তা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশের শিশুশ্রমের প্রথম এবং প্রধান কারণ হচ্ছে অর্থনৈতিক। দরিদ্র পরিবারের পক্ষে ভরণ পোষণ মেটানো সম্ভব হয়না। এ পরিস্থিতিতে বয়সের কথা বিবেচনায় না রেখেই বাবার পেশায় বা অন্য কোনো পেশায় সন্তান যদি নিয়োজিত হয় তাহলে বাবা মা একে লাভজনক মনে করেন। শিক্ষা উপকরন ও সুযোগের অভাব এবং শিশুশ্রমের কুফল সম্পর্কে অভিভাবকদের অসচেতনতাও শিশুশ্রমকে তীব্রতর করছে। শিশুদের স্বল্প মূল্যে দীর্ঘক্ষণ কাজে খাটানো যায় বলে নিয়োগকর্তাও শিশুদের কাজে নিয়োগে বিশেষ উৎসাহী থাকেন। শিশুশ্রমের আরেকটি অভিশপ্ত দিক হলো কর্মের। প্রলোভন দেখিয়ে এক শ্রেণির প্রতারক একটি শিশুকে ঘর থেকে বের করে গ্রাম থেকে শহরে এবং অবশেষে শহর থেকে বিদেশে পাচার করে অমর্যাদাকর কাজে ব্যবহার করে থাকে। বাংলাদেশ আর্থসামাজিক অবস্থাও শিশু শ্রমের অন্যতম একটি কারন। শহরে জীবনে কাজের লোকের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতার গতানুগতিক সংস্কৃতিও শিশুশ্রমকে উস্কে দিচ্ছে। পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা,সম্পদের অসম বন্টন, কর্মসংস্থানের অভাব, সামাজিক অনিশ্চয়তা ইত্যাদি কারনে গ্রাম থেকে শহরমূখী মানুষের স্রোত দিন দিন বাড়ছে। এছাড়া নদী ভাঙ্গন,বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটছে অহরহ। এ জাতীয় প্রতিটি ঘটনা দুর্ঘটনাই প্রতিনিয়ত শিশুদের ঠেলে দিচ্ছে কায়িক শ্রমের দিকে।

শ্রমজীবী শিশুরা নেই কোথায়? চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিশ^ বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস, রেস্তোরা, পরিবহন, গেরেজ, ফার্নিচারের কারখানা জুতার কারখানা, ট্যানারি শিল্প, তামাক শিল্প, আবর্জনা সংগ্রহ, ওয়েলডিং এর কারখানা, ইটের ভাটা, গৃহনির্মান, বাসাবাড়ি,পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে শিশুরা উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত। এটাকে যদি আমরা একটা সেবা হিসেবে বিবেচনা করি তাহলে দেখা যাবে যে, সেবা প্রক্রিয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শ্রমজীবী শিশুর উপস্থিতিই সিংহভাগ। যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।আজকের শিশুরাই হবে আগামী দিনের উণ্নয়নের মূল চালিকা শক্তি। তাদের উপযোগী করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের অর্জন আশাপ্রদ নয়। বাংলাদেশের সংবিধানে শিশুসহ সব নাগরিকের মৌলিক অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি অংশে শিশুদের জন্য বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষকসহ শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার অংশে মানুষ হিসেবে সব নাগরিকের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। বিশেষত জবরদস্তিমূলক শ্রম পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ক্ষেত্রে আইনগতভাবে প্রতিকার পাওয়ার নিশ্চয়তা রয়েছে।

সুস্থ ও স্বাভাবিক শৈশবের নিশ্চয়তা সব শিশুর জন্মগত অধিকার। শিশুর এ শাশ^ত অধিকার থেকে আমাদের দেশের বহু শিশুই বঞ্চিত। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণের জন্য পারিবারিক সামাজিক, জাতীয় আন্তর্জাতিক উদ্যোগের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, শিল্প কারখানা স্থাপন ও উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উণ্নয়ন ত্বরান্বিত করা গেলে ঝুঁকিপূর্ণ ও নিকৃষ্ট ধরনের শিশুশ্রমসহ সব ধরনের শ্রম থেকে শিশুদের প্রত্যাহার করা সম্ভব হবে। তবেই আমাদের শিশুরা আগামীতে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠবে।কর্মরত শিশুদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত আছে ১২ লাখ ৮০ হাজার। আর ২ লাখ ৬০ হাজার শিশু অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে। তাদের কাজের বৈশিষ্ট্য জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য বেশ হুমকিস্বরূপ। শিশু শ্রমের ২০২১ এ চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক সমীক্ষায়। শিশু শ্রম কমানোর চেয়ে বেশি জরুরি হলো ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নির্মূলে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া। ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।বিশ্বব্যাপীই শিশুশ্রমিকের সংখ্যা গত ১ বছরে বেড়েছে প্রায ১ কোটি।বাংলাদেশে বর্তমানে শিশু শ্রমে নিয়োজিতের সংখ্যা কমলেও তা প্রায় অর্ধ কোটির কাছাকাছি।যে খাতগুলোতে শিশুশ্রম রয়েছে সে গুলো সুনির্দিষ্ট করে পদক্ষেপ নেয়া গেলে শিশুশ্রম বন্ধ করা সম্ভব বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন ,আগে দেশে শিশুশ্রমের যে অবস্থা ছিলো তা এখন অনেক কমেছে । তার পরও বর্তমানে দেশে সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ৪৭ লাখ শিশুশ্রমিক রয়েছে যাদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত রয়েছে ১২ লাখ ৮০ হাজার শিশু । হাজার শিশু এক সময় স্কুলে গেলেও এখন আর যায় না। আর ১ লাখ ৪২ হাজার শিশু কখনেনাই স্কুলে যায় নি। এসব শিশুর সবাই দারিদ্র্যের কারণে পড়াশুনা বাদ দিয়ে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। বিবিএসের জড়িপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে ১৮টি খাতে ১৬ লাখ ৯৮ হাজার ৮৯৪জন শিশু ‘শিশুশ্রমে’ নিয়োজিত রয়েছে। তাদের মধ্যে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৬৯০জন মেয়ে শিশু। শিশু শ্রম বেশি দেখা গেছে কৃষিক্ষেত্রে ও কলখারখানায়, সেখানে ১০ লাখের বেশি শিশু কাজ করে। সবচেয়ে বেশি গড়ে পাঁচ লাখ শিশু উৎপাদন খাতে বা কলকারখানায় কাজ করে। আর কৃষিখাতে কাজ করে পাঁচ লাখ সাত হাজার শিশু। দোকানপাটে ১ লাখ ৭৯ হাজার শিশু নির্মাণ শিল্পে ১ লাখ ১৭ হাজার শিশু কাজ করে। শিশুশ্রমে নিয়োজিতদের ৫৭ শতাংশের কাজই অস্থায়ী।

শিশু শ্রমিকদের মজুরিও বেশ কম। প্রায় ৭ লাখ শিশু কোনো মজুরি পায় না। থাকা খাওয়ার বিনিময়ে তারা কাজ করে থাকে। মজুরি পায় সব মিলিয়ে ১০ লাখ ১৯ হাজার শিশু। ৩ লাখ ৮৮ হাজার ১৪২ জন শিশু মাসে ৫ থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা মজুরি পায়। আড়াই থেকে পাঁচ হাজার টাকা মজুরি পায় ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪২৩ জন শিশু। আর প্রায় ১ লাখ শিশু আড়াই হাজার টাকার বেশি মাসে মজুরি পায় আড়াই লাখ শিশু। অন্যদিকে সপ্তাহের ৪২ ঘণ্টার বেশি বা দৈনিক গড়ে পাঁচ ঘণ্টার বেশি কাজ করে বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুদের (১২ লাখ ৮০ হাজার শিশু) মজুরিও বেশ কম। প্রায় ৪ লাখ শিশুর মজুরিই মেলেনা। মাসে মাত্র পাঁচ থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা পায় ৩ লাখ ৮৭ হাজার শিশু। আর আড়াই লাখ শিশুর মজুরি সাড়ে সাত হাজার টাকার বেশি; ২ লাখ ৩৫ হাজার শিশুর মজুরি আড়াই থেকে পাঁচ হাজার টাকা। আড়াই হাজার টাকার কম মজুরি পায় ২০ হাজার শিশু। ৩৬ হাজার ২৪২টি পরিবারের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে বিবিএস এ জরিপটি করেছে।

বিশে^র বড় ২৮টি প্রতিষ্ঠানের অর্ধেকই নিকেল জাতীয় ঋতু উত্তোলনের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশুদের ব্যবহার করছে। জানা গেছে, বিশে^র প্রতি ১০ জন শিশুর একজন শিশু শ্রমিক। আর তাদের অর্ধেকই ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত। তবে নব্বই দশকের পর শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ১০ কোটি কমে গেছে। আইএলও প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে যে, বিশে^ ১৫ কোটি ২০ লাখ শিশু শ্রমিক রয়েছে। তাদের আড়াই কোটি শিশুকেই জোর করে কাজে বাধ্য করা হচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যুরো অফ স্ট্যাটিসটিক্স। (বিবিএস) প্রকাশিত (২০১৭) হিসেবে জানায় বাংলাদেশে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ১৭ লাখ্ কিন্তু ২০০১-২০০৩ সালে এই সংখ্যা ছিলো ৭৫ লাখ। গত ১ দশকে বাংলাদেশে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

বর্তমানে বিশে^ প্রতিটি দেশ শিশুশ্রম বন্ধের ঘোষণা দিলেও আমাদের দেশে এটি বেড়েই চলেছে। ফলে দিন দিন এই শিশু শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ছে। সচেতন মহল মনে করেন বাংলাদেশে শিশু শ্রমের অন্যতম কারণ হলো দারিদ্রতা। আর আমাদের দেশে ৩১ দশমিক ৬ ভাগ মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে। এসব পরিবারের সদস্যদের মাথাপিছু আয় দেনিক ৮০ টাকারও কম। এদের বেশিরভাগ পরিবার অসচ্ছল। ফলে এসব পরিবারের শিশুরা তাদের পেটের ক্ষুধা নিবারণ করার জন্য ছোট ঝুঁকিপূর্ণ কাজ শুরু করে। তাই তাদের নিজেদের আর পরিবারের খাওয়ার জন্য শিশুরা লেখাপড়ার পরিবর্তে এ ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে পিছপা হচ্ছে। যেমন: শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে তাদের সচেতনতার জন্য সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম থেকে শিশুদের মুক্ত করতে না পারলে শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হবে। সেই সাথে তাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হবে।

সরকারের একার পক্ষে শিশুশ্রম বন্ধ সম্ভব নয়। তাই শিশুদেরকে সু-নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিশুশ্রম বন্ধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে যেসব শিশুরা কম বয়সে এসব কাজে নেমে পড়েছে, তাদের অভিভাবকদের সচেতন করতে পদক্ষেপ নিতে হবে। তারা যেনো তাদের শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে না পাঠায়। নয়তো সবার জন্র এটি অভিশাপ হিসেইে থেকে যাবে।

লেখকঃ সাবেক জাতীয় ক্রীড়াবিদ (কারাতে ব্লাক বেল্ট ১ম ড্যান) সভাপতি শারীরিক
শিক্ষাবিদ সমিতি,চেয়ারম্যান গ্রিন ক্লাব,গবেষক,শিক্ষক,সাংবাদিক ও কলামিস্ট