টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে যুবলীগ নেতার দুধ দিয়ে গোসল

 

আশিকুর রহমান, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ঃঃ
দাম্পত্য কলহের জের ধরে স্ত্রীকে ডিভোর্সের পর দুধ দিয়ে গোসল করেছেন যুবলীগ নেতা অমিত রাজ। দুধ দিয়ে গোসলের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহুত্যের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। এমনই ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামে। শনিবার যুবলীগ নেতা অমিত রাজ নিজেই এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। অমিত রাজ উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সম্পাদক। তিনি ওই গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।

জানা যায়, অমিত রাজ পার্শ্ববর্তী উপজেলার সখীপুরের হাতীবান্ধা ইউনিয়নের রাজাবাড়ি গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে টুম্পার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রায় চার বছর আগে তারা প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর তাদের সংসারে কলহ শুরু হয়। এরমধ্যেই তাদের একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। এখন ওই সন্তানের বয়স প্রায় তিন বছর। কলহের জের ক্রমেই বাড়তে থাকে। এমতাবস্থায় দুই পক্ষের অভিভাবকরা পড়েন চরম বিপাকে। প্রায় তিন মাস আগে টুম্পা তার স্বামীর বাড়ি থেকে চলে যায়।

এঘটনায় স্বামী অমিত রাজ মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর স্বামী অমিত রাজ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে টুম্পা টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার বরাবর নারী নির্যাতনের অভিযোগ দেন। এ নিয়ে জেলা ডিবি পুলিশ তদন্ত করেন। পরে শনিবার (২১ আগস্ট) ডিবি অফিসে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন সালিশে বসেন।

সালিশে উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে তিন লাখ টাকার বিনিময়ে টুম্পা ডির্ভোস মেনে নেয়। পরে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ডিভোর্স হয়। যুবলীগ নেতা অমিত রাজ আদালতের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা টুম্পাকে দিয়ে তার শিশু সন্তানকে তার বাড়িতে নিয়ে যান।

যুবলীগ নেতা অমিত রাজ বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর আইনিসহ পারিবারিক ঝামেলা থেকে মুক্ত হয়েছি।

এজন্য আমার দাদি দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে দিয়েছেন। পরে দাদি আমাকে ঘরে তুলে নেন। এখন আমি মুক্ত। এরপর আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবি ও ভিডিও আপলোড দিয়েছে।