তবুও বাঁচার আকুতি ফুলজান বেগমের

 

সংবাদ জমিন, অনলাইন ডেস্ক ঃঃ
৫৫ বছর বয়সী মোসা. ফুলজান বেগম। চার সন্তানের জননী তিনি। ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলিগৌরনগর ইউনিয়নের দফাদার কান্দি এলাকার ভোলার বাপের বাড়ি তার। ফুলজানের স্বামী থাকলেও তিনিও অসচ্ছল। কাজ করতে পারেন না। ছেলেদের আয় দিয়েই চলতো ফুলজানের পরিবার। তবে ভাগ্য সহায় হয়নি ফুলজানের। ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর মোসা. ফুলজান বেগমের শরীরে শনাক্ত হয় ফুসফুস ক্যান্সার।

প্রথমে বুকে ব্যথা হতো। এরপর ডাক্তার দেখানোর পর ফুসফুস ক্যান্সারের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারেন ফুলজান বেগম ও তার পরিবার। এর চিকিৎসার জন্য তারা দ্বারস্থ হন চট্টগ্রামের সিএসসিআর হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেডিও থেরাপী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সাজ্জাদ মো. ইউসুফের। এরপর থেকে তাঁর অধীনে চলে ফুলজান বেগমের চিকিৎসা।

প্রায় আড়াই বছরে ফুলজানের চিকিৎসার পিছনে ধার-দেনা করে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করেন পরিবারের লোকজন। করোনার কারণে বাড়িতে রয়েছেন ফুলজান বেগম। তবে প্রতি মাসে তার ওষুধের পিছনে খরচ হয় প্রায় ২১ হাজার টাকা। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এখনও ৮-১০ টির মত থেরাপি দিতে হবে। যাতে খরচ হবে আরও ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকার মত। ফুলজানের চিকিৎসার পিছনে আগেই ধার-দেনা করে ঋণগ্রস্ত হয়ে রয়েছে পরিবারটি।

সামনের দিকের চিকিৎসা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবারের লোকজন। দিশেহারা হয়ে পরেছেন তারা। মাকে বাঁচাতে ফুলজানের মেঝো ছেলে হাফিজুর রহমান সকলের সহযোগিতা চায়।সকলের সাধ্য অনুযায়ী সহায়তা পাঠাতে পারেন ০১৭৫৪৪২২০৩১ (বিকাশ-নগদ), অথবা রুপালী ব্যাংক কালুর ঘাট শাখার ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নম্বরে মো. হাফিজুর রহমান: ১৩৬৭৬ এ।