ধামরাইয়ে নির্বাচনোত্তর সহিসংসতায় ৩ নৌকার কর্মী নিহত : আহত-২০০

 

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি ঃঃ
ঢাকার ধামরাইয়ে ১৫ ইউনিয়নের নির্বাচনী সহিংসতায় তিন ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের হামলায় মারা গেছে ৩ জন আর আহত হয়েছে প্রায় কয়েকজন। আহতদের মধ্যে অনেকেই এখনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে নির্বাচন হয়ে গেলেও বিভিন্ন ইউনিয়নে এখন সহিংসতা চলছে। ১৪ নভেম্বর সকালে ও শনিবার রাতে গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নে হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ আহত হয়েছে প্রায় ৩০ জন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, ধামরাইয়ে গত বৃহস্পতিবার ১৫টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের আগে যাদবপুর ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী আব্দুল মজিদ ও বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজুর কর্মী সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা ও পোস্টার ছেঁড়া নিয়ে কঠোর বিরোধ চলে। ওই নৌকার কর্মী সিদানকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

নির্বাচনের পরপরই শুরু হয় হামলা সংঘর্ষ ও মারামারি। এতে কুল্লা ইউনিয়নে হামলায় রাতুল নামে এক নৌকারকর্মী মারা যায়। ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হন বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফর রহমান। নির্বাচনের রাতেই সুয়াপুর ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের হামলায় নাছির উদ্দিন মোল্লা নামে এক ব্যক্তি মারা যান। তিনিও নৌকারকর্মী ছিলেন বলে জানা যায়।

এসব হামলায় কয়েকশ’জন আহত হন। নির্বাচনের চারদিন পার হলেও সহিংসতা এখনো বন্ধ হয়নি। এলাকায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। কয়েক ইউনিয়নে নৌকা পরাজিত হওয়ায় হামলার ভয়ে এখনো নৌকার অনেক কর্মী পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ সময় কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

গত দুইদিন ধরেই থেমে থেমে চলছে গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতা। এতে আহত হয়েছে ৩০ জন। ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আতিকুর রহমান জানান, নির্বাচনের পরে কেউ যদি সহিংসতা করে থাকে তাকে ছাড় দেয়া হবে না। তদন্তে হামলার প্রমাণ পেলে সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।