নায়িকা হতে চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া : প্রতিমন্ত্রী মুরাদ

 

স্টাফ রিপোর্টার ঃঃ

কঠোর ভাষায় বিবৃতি পাঠিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে ‘একহাত’ নিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন ও সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে ‘সিকি মন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করে তার শিষ্টাচার বহির্ভূত বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতেও বলা হয়েছে।

রোববার বাংলাদেশ টেলিভিশনের চট্টগ্রাম কেন্দ্রে এবং সোমবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানকে ‘খুনি’ উল্লেখ করে বক্তব্য দেন। জিয়ার স্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া চিত্রনায়িকা হতে চেয়েছিলেন— এমন তথ্যও দিয়েছেন তিনি। এছাড়া জিয়াপুত্র তারেক রহমানেরও সমালোচনা করে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী।

এর জবাবে পাঠানো বিবৃতিতে বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন ও আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ‘রাতের আঁধারে ভোট চুরি করে মন্ত্রী হওয়া এসব দুর্বৃত্তরা জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে কথা বলার কোনো যোগ্যতাই রাখে না। প্রধানমন্ত্রীর গুডবুকে থাকার জন্যই এই আবাল মন্ত্রীরা শহিদ জিয়াকে নিয়ে পাগলের প্রলাপ বকছেন। সময় বেশি দূরে নয়, এসব আবাল মন্ত্রীরা দেশ ছেড়ে পালানোর পথ পাবে না।‘

খালেদা জিয়া চিত্রনায়িকা হতে চেয়েছিলেন, প্রতিমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপি নেতারা বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রীর বয়স তো মাত্র ৪৫ থেকে ৫০ বছর হবে। তিনি তো বিষয়টি জানার কথা নয়। সম্ভবত উনার পিতা বা পিতামহ কেউ বেগম জিয়ার বাবার ঘরে গৃহ ভৃত্য হিসেবে কাজ করতেন। না হলে বেগম জিয়ার এই বিষয়টি অন্য কেউ নয়, তিনি জানলেন কীভাবে? একজন মন্ত্রীর কথাবার্তায় শালীনতা থাকা বাঞ্ছনীয়। রাতের আঁধারে ভোট চুরি করে হোক আর লুট করে হোক— মন্ত্রী হয়ে গেছে। তাদের কাছে দেশবাসী শালীন ও শিষ্টাচারপূর্ণ আচরণ দেখতে চায়।’

‘সরকারের মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তব্যে এই সত্য উঠে এসেছে যে- বাংলাদেশে একমাত্র বিএনপিই জনগণের রাজনৈতিক দল। বিএনপি একটি গণমুখী রাজনৈতিক দল। তাই তারা প্রতিদিন বিএনপিকে নিয়ে দুঃস্বপ্ন দেখে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নাম শুনলে তারা ভীত হয়ে ওঠে। ভয় তাড়াতে তারা শহিদ জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার নামে জিকির তোলে।’