সন্তান হিসেবে পিতার যোগ্য উত্তরসূরী কি আমরা হতে পেরেছি ?

 

——মো: অহিদূল ইসলাম
সন্তান হিসাবে যোগ্য একজন পিতা পাওয়াও পরম সৌভাগ্যের বটে। হ্যা আমরা বাঙালী জাতি সত্যি মহা গৌরবান্বিত এবং মহা সৌভাগ্যেরই বিষয়। কারণ, আমার পিতা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তোমার তুলনা কোন পিতার সাথেই চলে না।

এখন কথা হলো,যোগ্য পিতা তো পেলাম কিন্তু পিতার যথাযথ সম্মান কি করতে পারছি ? পিতার আদর্শ এবং স্বপ্ন কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পেরেছি ? কখনো কি নিরলে বসে একটু ভেবে দেখেছি ? এর উত্তর কেউ কি দিতে পারবেন ? এর উত্তর শোনার জন্য আমরা অধীর আগ্রহে আছি। জানি, কেউ না কেউ উত্তর দিবে কিন্তু উত্তরটা যে কঠিন হবে একথা একনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক এবং বঙ্গবন্ধুর প্রেমিক বিহনে কেউ বুজবে না।

কিছু কথা যে না বললেই নয় ! এখনো বাঙ্গালী জাতির কিছু অংশ বঙ্গবন্ধুকে স্বীকারই করে না। শুধু তা-ই নয়, উনার বিরুদ্ধে বিশ্রী কুৎসা রটাতেও দ্বিধা করে না। পিতার জন্ম দিন সাহাদৎ বার্ষিকীতে এদের কোন অংশগ্রহণ দেখা যায় না। চরম লজ্জার বিষয় ! ঘৃনার বিষয় ! বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগ দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার মসনদে আসীন।

এখন ঘরে ঘরে আওয়ামিলীগ। হাইব্রিড, তেলবাজিতে সয়লাব আজকের ক্ষমতাসীন দল। মুখে মুখে বঙ্গবন্ধুর গগন বিদরী স্লোগান আর গায়ে মুজিব কোট থাকলেই বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, আর কি লাগে ? কিচ্ছু লাগে না ! বঙ্গবন্ধু কন্যা এবং আওয়ামিলীগ নেত্রীর চৌকস নেতৃত্বে দেশ যতটা এগোনোর কথা ছিল কিন্ত কিছু চোর বাটপারের কারণে তা বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তারপরও শেখ হাসিনার সরকার স্বাধীনতা উত্তর উন্নয়নের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছেন। তা-না হলে এতোদিন দেশ মালয়েশিয়ার কাছাকাছি চলে যেতো। কিন্তু দূর্ভাগ্য যে কিছু চাল চোর, গম চোর, ত্রাণ চোর এবং রাক্ষসী পুঁজিবাদী চোরের কারণে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামিলীগ আজ প্রশ্নের সম্মুখীন?

প্রকৃত দেশ প্রেমিক আজ উপেক্ষিত , প্রকৃত বঙ্গবন্ধুর সৈনিক নিগৃহীত, অবহেলিত। কিন্তু এভাবে আর কতদিন চলবে ? সবকিছুরই শেষ আছে। সেদিন সময়ই বলে দিবে কত ধানে কত চাল ? বাংলদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন এই যে,দূর্নীতির বিরুদ্বে চলমান শুদ্ধি অভিযান আরও বেগবান হোক, সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় একধাপ এগিয়ে যাক।