সিংগাইরে কালিগঙ্গা নদীর তীরবাসীর সময় কাটে ভাঙ্গনের আতংকে !

 

সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) থেকে মোঃ সাইফুল ইসলাম ঃ
বর্ষা মৌসুমে হঠাৎ মূর্তিরূপ ধারণ কারী কালিগঙ্গা নদীর ভাঙ্গনে বসত ভিটা, ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন বিধবা চম্পা, পর্বত আলী, নয়ন আকবর আলীর মত অনেকেই। এমনকি স্বামী, পিতা, মাতার সমাধিস্থল শেষ চিহ্নটুকু নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন যেন চোখের অশ্রুটুকুই স্মৃতি হিসেবে ধরে রেখেছেন তারা।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়ন কালিগঙ্গা নদী মাতৃক একটি ইউনিয়ন। বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই জামশা ইউনিয়নের নতুন বাজার, বালুরচর, মাটিকাটা বাজার, মাটিকাটা খানাবাড়ি তীরবর্তী এলাকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ অর্ধশতাধকি বসত ভিটে ও বাড়ি কালিগঙ্গা নদীর গর্ভে বিলিনের উপক্রম হয়েছে। এ ভরা বর্ষা মৌসুমে পানির তীব্র স্রোত বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতো মধ্যে মসজিদসহ ৮-১০টি বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এভাবে প্রতি বছর বসত বাড়ি, ফসলি জমি বিলিন হতে থাকলে জামশা ইউনিয়ন এর মানচিত্র থেকে ঐতিহ্যবাহী দুটি গ্রাম কালভ্রাদ্রে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। সম্প্রতি জামশার কালিগঙ্গা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটে নদীর দু-কূলের মানুষের। মাটিকাটা গ্রামের বিধবা চাম্পা বলেন স্বামী কাইরা নিছে দূরারোগ্যরোগে, বসত ভিটা কাইরা নিল কালিঙ্গা নদীতে, এখন আর কিছুই রইল না। অন্যের বাডিতে থাকি।

সমস্যা সমধানে সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জামশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান মিঠু, ইউপি সদস্য সবুজ, জাফর, সহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ মহিদুর রহমান ও সাংবাদিক বৃন্দ।