সিংগাইরে জামশায় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর ধর্ষণ মামলা

 

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে জামশায় চেয়ারম্যান স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছে ২য় স্ত্রী। রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অসৎ উদ্ধেশ্যে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২০ জুলাই উপজেলার জামশা ইউনিয়নের দক্ষিণ জামশা গ্রামের আমিনূল হকের পুত্র ও জামশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানূর রহমান মিঠুর সাথে একই গ্রামের কোহিনূরের একাধিক স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে বৃষ্টি আক্তার ওরফে রুপালী (২১) এর ১ লক্ষ টাকা মোহরানা ধার্য করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর হতে মিঠু ঐ স্ত্রীর সাথে সহবাস ও ভরণ-পোষণ করে আসছিল।

তার নির্বাচনকে সামনে রেখে হঠাৎ ঐ স্ত্রী ২ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞ আদালতে তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা ঠুঁকে দেয়। মামলার এজাহারে ধর্ষণ ও গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ আনা হয়। যা নিয়ে এলাকায় হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসীর অনেকেই জানায়, মেয়েটি চরিত্রহীনা, চেয়ারম্যানের সাথে বিয়ে নিয়ে তার বিয়ে হলো কমপক্ষে ৩টি। বিয়ে করে অথবা অসামাজিক কার্যকলাপ করে অর্থ হাতিয়ে নেয়া তার নেশা। বিয়ের পর কোন স্বামী স্ত্রীকে ধর্ষণ করে না, কিংবা গর্ভের সন্তান নষ্ট করে না। চেয়াম্যানের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নবাবগঞ্জের বান্দুরা মডার্ন ক্লিনিক এন্ড ডায়াগণস্টিক সেন্টার এর সার্টিফিকেটে দেখা যায়, বিয়ের পর ২০১৯ সালের ৫ মে তার গর্ভপাত ঘটানো হয়। বিয়ের পর তিনি তার গর্ভের সন্তান কেন নষ্ট করবেন, তা নিয়েই জনমনে যত প্রশ্ন ?

এদিকে স্ত্রীর ধর্ষণ মামলায় যাদের স্বাক্ষী করা হয়েছে তারা সকলেই তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তার পিছে লেগে আছে অনেকদিন ধরেই। এ ব্যাপারে রুপালী আক্তারের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি, তবে তার মা রোকেয়া জানান, বিয়ের ঘটনা সত্য। ইতিপূর্বে তার মেয়ের একাধিক বিয়ের কথাও স্বীকার করেন তিনি।

চেয়ারম্যান মিঠু জানান, সে আমার ২য় স্ত্রী, স্ত্রীর সাথে বৈধ মেলামেশা করা যায়, বৈধ মেলামেশা ধর্ষণ বলে আখ্যায়িত করা যায়? আর কোন স্বামীই নিজ স্ত্রীর গর্ভের সন্তান নষ্ট করে না।