সিংগাইরে জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়ের বিল্ডিং ও মাটি হাওয়া নিয়ে সমালোচনার ঝড়

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়ের একতলা বিল্ডিং ও মাটি হাওয়া নিয়ে এলাকায় বইছে সমালোচনার ঝড়। বিদ্যালয়ের অভিভাবক মহল চিন্তিত বিদ্যালয়টির ভবিষ্যৎ নিয়ে। কারণ এ বিদ্যালয়টি মানিকগঞ্জ জেলার মধ্যে অন্যতম অতিহ্যবাহী বিদ্যালয়। সেই বিদ্যালয়ে যদি দুর্নীতি হয় তাহলে লেখাপড়ার আর মান থাকে না। কৃতি শিক্ষার্থী বের হয়ে আসা দুষ্কর হয়ে পড়ে।

তদন্তে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের লক্ষ্যে উত্তর পাশের একতলা বিল্ডিং ভেঙ্গে নতুন ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। সম্প্রতি ঐ বিদ্যালয়ের একতলা বিল্ডিং ভেঙ্গে এর রাবিশ ও এর নিচে খনন করা মাটি রাতারাতি হাওয়া হয়ে যায়। এলাকাবাসীর একটিই প্রশ্ন, আর তা হচ্ছে রাবিশ ও মাটি গেল কোথায়? কিভাবে সরকারি বিধি-বিধান না মেনে এসব রাবিশ ও মাটি বিক্রি করা হলো? ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা জানেই না এসব বিক্রির খবর। তাহলে সরকারি বিধি-বিধানকে থোরাই কেয়ার করে কোন সাহসে, কোন বলে, কে বা কারা এসব বিক্রি করলো? ম্যানেজিং কমিটির একাধিক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমরা এসব রাবিশ ও মাটি বিক্রির ব্যাপারে কিছুই জানি না।

এলাকাবাসী বিষেদগার ছুঁড়ছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু রাধেশ্যামের উপর। কিন্তু তিনি দায়ভার নিতে নারাজ। তিনি কারো কাছে ঘটনাটি অস্বীকার আবার কারো কাছে আংশিক মাটি বিক্রির কথা স্বীকার করছেন। আবার কারো কাছে বলছেন, মহাসড়ক সংলগ্ন মাঠের পশ্চিম পাশে জলাশয় ভরাটের কথা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক জানান, জলাশয় ভরাটের নামে এসব বিক্রির টাকা হাওয়া করে দিতে চাইছেন বাবু রাধেশ্যাম ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপন দেবনাথ ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিরাজ উদ-দৌল্লা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ছবি-প্রতিকী (জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়)