হাইওয়ে থানা হামলার পেছনে শিশুদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ঃঃ
হেফাজতের হরতালের আগুনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল বিশ্বরোড মোড়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানায় আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আছে শুধু পোড়া চিহ্ন আর গন্ধ। ঐ ঘটনায় শিশুসহ নিহত হয়েছে ২ জন। আহত হয় সোমবার দিনভর সেসব ধ্বংসস্তূপ সরিয়েছেন পুলিশের সদস্যরা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানায়, গত রোববার হরতাল চলাকালে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে হরতাল সমর্থক কয়েক হাজার শিশু-কিশোর-তরুণ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রথমে থানার পাশে রাখা সাঁজোয়া গাড়িতে (এপিসি) হামলা চালিয়ে সেটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। একই সময়ে হামলাকারীরা থানার সরকারি দুটি পিকআপ ভ্যান ও ২০ টনি একটি রেকার পুড়িয়ে দেয়। থানার সামনে বিভিন্ন মামলার আলামত হিসেবে রাখা দুটি লেগুনা, দুটি ব্যক্তিগত গাড়ি ও ১০/১২টি মোটরসাইকেলেও আগুন দেওয়া হয়। পরে ভাড়া ভবনে থাকা থানা কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করার চেষ্টা করে হামলাকারীরা। মোদির সফরের বিরোধিতা করে হেফাজতের ডাকা হরতালে মাদ্রাসার শিশু-শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এরপর থানায় আগুন লাগিয়ে দেয়। নিমিষেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমারা থানা রক্ষা করতে অনেক চেষ্টা করেছি। এর জন্য সাড়ে চার শতাধিক ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছে। তার পরও রক্ষা করা যায়নি। আমরা অস্ত্র নিয়ে এক কাপড়ে বের হয়ে গেছি। এখানে অফিস করার মতো আর কোনো অবস্থা নেই।’